তিন মাসে কমেছে রপ্তানি আয়

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে পণ্য রপ্তানিতে আয় প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৯৬৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারের আয় হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১১ শতাংশ কম।

আজ রোববার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) পণ্য রপ্তানির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, বড় কোনো খাতই রপ্তানি আয়ে ভালো করেনি। তিন মাসে পোশাক রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ৮০৬ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কম।

পণ্য রপ্তানির ৮৪ শতাংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে। তবে সেই খাতের রপ্তানি কমে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও হোম টেক্সটাইলের রপ্তানি আয়ও কমেছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে পণ্য রপ্তানিতে আয় প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৯৬৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারের আয় হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১১ শতাংশ কম।

আজ রোববার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) পণ্য রপ্তানির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, বড় কোনো খাতই রপ্তানি আয়ে ভালো করেনি। তিন মাসে পোশাক রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ৮০৬ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কম।

পণ্য রপ্তানির ৮৪ শতাংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে। তবে সেই খাতের রপ্তানি কমে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও হোম টেক্সটাইলের রপ্তানি আয়ও কমেছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৫ দশমিক ৪৪ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৫ শতাংশ কম। পাট ও পাটপণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ২২ কোটি ডলারের কিছু বেশি। এ ক্ষেত্রে আয় কমেছে ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৬ কোটি ২৬ লাখ ডলার। এ ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশের মতো। হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিতে আয় কমেছে প্রায় ৯ শতাংশ। আয় হয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ডলার।

ভালো করেছে প্রকৌশলপণ্য। এ খাতে মোট আয় ৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশের মতো বেশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *